ভূমিকা
اَلْأَزْهَرُ الشَّرِيفُ مَنَارَةُ الْعِلْمِ.
"আল-আজহার আশ-শরীফ জ্ঞানের বাতিঘর।"
ফাতেমি খিলাফতের সময় ৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে কুরআন ও ইসলামি আইন শিক্ষার জন্য আল-আজহার প্রতিষ্ঠিত হয়। আজ এটি বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন ও মর্যাদাপূর্ণ ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর একটি। বর্তমানে এখানে ১০২টি দেশের শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন।
বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও উল্লেখযোগ্য। এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবাসিক ও অনাবাসিক মিলিয়ে প্রায় এক হাজার ২০০ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সেখানে পড়ছেন। তাঁদের ফলাফলও গৌরবজনক: ধর্মতত্ত্ব অনুষদের একটি সাম্প্রতিক তালিকায় আকিদা ও দর্শন বিভাগে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী মাহবুবুল আলম ৯৪.০৮ গড় নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন।
১. আল-আজহারে কী কী পড়া যায়?
১৯৬১ সালে আল-আজহারকে আধুনিক বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর করা হয়, এবং এতে ব্যবসা, অর্থনীতি, বিজ্ঞান, ফার্মেসি, মেডিসিন, প্রকৌশল, কৃষির মতো বিষয়ও যুক্ত হয়। ধর্মীয় ও সাধারণ মিলে এখানে মৌলিক ২৩টি অনুষদ ও শতাধিক বিভাগ আছে। তবে বিদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ধর্মতত্ত্ব, ইসলামি শরিয়াহ ও আইন, আরবি ভাষা, ইসলামি দাওয়াহর মতো ধর্মীয় অনুষদে পড়ার সুযোগ বেশি।
প্রধান ধর্মীয় অনুষদগুলো:
অনুষদ (আরবি)বাংলা নাম كُلِّيَّةُ أُصُولِ الدِّينِ উসূলুদ্দীন (ধর্মতত্ত্ব: তাফসির, হাদিস, আকিদা)كُلِّيَّةُ الشَّرِيعَةِ وَالْقَانُونِ শরিয়াহ ও আইন كُلِّيَّةُ اللُّغَةِ الْعَرَبِيَّةِ আরবি ভাষা كُلِّيَّةُ الدِّرَاسَاتِ الْإِسْلَامِيَّةِ وَالْعَرَبِيَّةِ ইসলামি ও আরবি শিক্ষা كُلِّيَّةُ الدَّعْوَةِ الْإِسْلَامِيَّةِ ইসলামি দাওয়াহ
২. ভর্তির দুটি পথ
পথ ক: সরকারি বৃত্তির মাধ্যমে (স্কলারশিপ)
বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ প্রতিবছর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে আবেদন নেয়, এবং আরবি ভাষায় দক্ষ শিক্ষার্থীদের এই বৃত্তিতে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। আবেদন সম্পন্ন করতে হয় অনলাইনে, মিসরের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নিয়ম অনুযায়ী।
আসনসংখ্যা: সুখবর হলো, ২০২৬ সালের জুলাইয়ে কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস জানিয়েছে, রাষ্ট্রদূতের অনুরোধে আল-আজহার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের বৃত্তির সংখ্যা ১২ থেকে বাড়িয়ে ২৪ করেছে।
বৃত্তির সুবিধা: নগদ ২,৫০০ মিসরীয় পাউন্ড, টিউশন ফি, থাকা-খাওয়া, দেশে যাতায়াতের বিমান টিকিট এবং মিসরের দর্শনীয় স্থান ভ্রমণসহ নানা সুবিধা।
পথ খ: নিজ খরচে (সেলফ-ফাইন্যান্স)
আসন সীমিত হওয়ায় অধিকাংশ বিদেশি শিক্ষার্থী এই পথেই যান। আল-আজহারে প্রায় ৪ হাজার বিদেশি শিক্ষার্থী বৃত্তিতে এবং প্রায় ৩০ হাজার নিজ খরচে পড়াশোনা করেন। নিজ খরচে গেলে পড়াশোনা, থাকা ও যাতায়াতের সব খরচ শিক্ষার্থীকেই বহন করতে হয়।
৩. আপনার সনদ দিয়ে কোন স্তরে ভর্তি হবেন?
এটি বোঝা সবচেয়ে জরুরি, কারণ এর ওপর পুরো প্রস্তুতি নির্ভর করে।
✅ সরাসরি স্নাতকে (অনার্স) ভর্তি: আলিয়া মাদ্রাসার আলিম সনদ এবং ঢাকার উত্তরার দারুল আরকাম আল-ইসলামিয়া (কওমি) মাদ্রাসার সানুবিয়্যাহ সনদের সাথে আল-আজহারের উচ্চমাধ্যমিক সনদের সমমান চুক্তি (مُعَادَلَةٌ) আছে, তাই এই সনদধারীরা সরাসরি স্নাতকে ভর্তি হতে পারেন।
✅ সাধারণ শিক্ষার এইচএসসি: বিদেশি শিক্ষার্থীর সনদ আল-আজহারের সমমান না হলেও যদি তা নিজ দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা দেয়, তবে মিসরীয় দূতাবাস ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সত্যায়ন সাপেক্ষে আল-আজহারের ব্যবহারিক ও তাত্ত্বিক (সাধারণ) অনুষদে ভর্তি হতে পারেন।
✅ সনদ নেই বা সমমান নয়: উচ্চমাধ্যমিক সনদ না থাকলেও আবেদন করা যায়। সে ক্ষেত্রে মিসরে গিয়ে স্তর নির্ধারণী পরীক্ষা দিয়ে আজহারের স্কুল বা কলেজে ভর্তি হয়ে ধাপে ধাপে স্নাতকে পৌঁছাতে হয়।
⚠️ বয়সের শর্ত: সনদবিহীন অনারব শিক্ষার্থীর বয়স ৩০ বছরের কম হলে তিনি সর্বোচ্চ দুই বছরের জন্য আজহারের আরবি শিক্ষা ইনস্টিটিউটে ভর্তি হন, তারপর পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রিপারেটরি বা সেকেন্ডারি স্তরের কোনো শ্রেণিতে ভর্তি হন।
৪. ভর্তি পরীক্ষা কেমন হয়?
যাদের সনদ সরাসরি স্নাতকে ভর্তির যোগ্যতা দেয় না, তাদের জন্য পরীক্ষাই মূল। শিক্ষার্থীকে শরিয়াহ, আরবি ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে একজন সভাপতি ও দুজন সদস্যের কমিটির সামনে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা দিতে হয়।
নম্বর বণ্টন: লিখিত পরীক্ষায় ১০০ এবং মৌখিক পরীক্ষায় ১০০ নম্বর। পরীক্ষাটি ইসলামিক মিশন ইনস্টিটিউটের প্রিপারেটরি স্তরের সিলেবাস অনুযায়ী হয়, এবং লিখিত পরীক্ষা আগে হয়।
ফলাফল অনুযায়ী শ্রেণি নির্ধারণ:
মোট প্রাপ্ত নম্বর (২০০-এর মধ্যে)যে শ্রেণিতে ভর্তি৪০ – ৮০প্রিপারেটরি ১ম বর্ষ৮১ – ১৪০প্রিপারেটরি ২য় বর্ষ১৪০-এর বেশিপ্রিপারেটরি ৩য় বর্ষ
তবে প্রতিটি পরীক্ষায় আলাদাভাবে ১০০-এর মধ্যে অন্তত ১০ পেতে হবে। অকৃতকার্য হলে বিশেষ প্রস্তুতিমূলক পাঠে ভর্তি করে আবার পরীক্ষার সুযোগ দেওয়া হয়।
সেকেন্ডারি স্তরের অতিরিক্ত পরীক্ষা: যারা ১৪০-এর বেশি পান, তারা ফিকহ, তাওহীদ, সীরাত, তাফসির, হাদিস, নাহু, সরফ, বালাগাত ও সাহিত্য বিষয়ে আরেকটি লিখিত পরীক্ষা দিয়ে সরাসরি সেকেন্ডারি স্তরে ভর্তি হতে পারেন। এই পরীক্ষায় ২০–৪০% পেলে ১ম, ৪০–৭০% পেলে ২য় এবং ৭০%-এর বেশি পেলে ৩য় সেকেন্ডারি বর্ষে ভর্তি করা হয়।
বাস্তব শিক্ষা: যত ভালো প্রস্তুতি, তত ওপরের শ্রেণিতে ভর্তি, অর্থাৎ তত কম বছরে স্নাতকে পৌঁছানো।
৫. প্রয়োজনীয় কাগজপত্র
বাংলাদেশ থেকে নিজ খরচে আবেদনের জন্য সাধারণত যা লাগে:
বৈধ পাসপোর্টের কপি
সংক্রামক রোগমুক্ত থাকার মেডিক্যাল সার্টিফিকেট
অর্জিত শিক্ষাগত সনদ
এই সনদ দিয়ে নিজ দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়া যায়, এমন সত্যায়িত প্রত্যয়নপত্র
অনলাইন নিবন্ধন ফরমের কপি বা নিবন্ধন নম্বর
পরামর্শ: সনদ ও নম্বরপত্র শিক্ষা বোর্ড, বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ঢাকার মিসরীয় দূতাবাস থেকে সত্যায়ন করিয়ে নিন। প্রতিটি কাগজের একাধিক ফটোকপি ও পাসপোর্ট সাইজের ছবি সাথে রাখুন।
৬. প্রস্তুতি কীভাবে নেবেন: বিষয়ভিত্তিক পরিকল্পনা
ক) আরবি ভাষা: সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি
আল-আজহারে সব ক্লাস, বই ও পরীক্ষা আরবিতে। তাই আরবি দক্ষতাই ভর্তি ও পরবর্তী সাফল্যের চাবিকাঠি।
নাহু ও সরফ: ই'রাব, সীগা, বাবগুলো শক্তভাবে আয়ত্ত করুন।
পঠন: হারাকাতবিহীন আরবি বই পড়ার অভ্যাস গড়ুন।
লিখন: আরবিতে অনুচ্ছেদ ও প্রশ্নের উত্তর লেখার চর্চা করুন, কারণ লিখিত পরীক্ষা আরবিতে।
কথা বলা ও শোনা: মৌখিক পরীক্ষার জন্য প্রমিত আরবিতে সাবলীলভাবে নিজেকে প্রকাশ করার চর্চা করুন।
মিসরীয় কথ্য আরবি: দৈনন্দিন জীবনের জন্য মিসরীয় আঞ্চলিক আরবির প্রাথমিক ধারণা নিন। যেমন প্রমিত مَاذَا تُرِيدُ؟ ("তুমি কী চাও?") মিসরে প্রায়ই শোনা যায় "ইনতা আইয়িয এহ?" রূপে।
খ) কুরআনুল কারিম
যতটা সম্ভব হিফজ করুন এবং তাজবিদসহ বিশুদ্ধ তিলাওয়াত নিশ্চিত করুন।
মৌখিক পরীক্ষায় তিলাওয়াত ও মুখস্থ অংশ শোনানো হতে পারে। কতটুকু হিফজ লাগবে তা স্তর ও বছরভেদে ভিন্ন হতে পারে, তাই হালনাগাদ শর্ত যাচাই করে নিন।
কুরআনের কিরাআত ইনস্টিটিউটে ভর্তি হতে চাইলে মৌখিক পরীক্ষায় কুরআনে ১০০-এর মধ্যে অন্তত ৬০% পেতে হয়।
গ) শরয়ি বিষয়
সেকেন্ডারি পরীক্ষার বিষয়গুলোর প্রাথমিক বইগুলো পড়ে নিন:
فِقْهٌ (ফিকহ): ইবাদতের মৌলিক মাসআলা
تَوْحِيدٌ (তাওহীদ/আকিদা): মৌলিক বিশ্বাস
سِيرَةٌ (সীরাত): নবীজির জীবনী
تَفْسِيرٌ ও حَدِيثٌ: সহজ তাফসির ও চল্লিশ হাদিসের মতো সংকলন
بَلَاغَةٌ ও أَدَبٌ: আরবি অলংকারশাস্ত্র ও সাহিত্যের ভূমিকা
ঘ) সাংস্কৃতিক বিষয়
সাধারণ জ্ঞান, ইসলামি ইতিহাস ও প্রাথমিক গণিত-ভূগোলের মৌলিক ধারণা রাখুন।
৭. মৌখিক পরীক্ষার জন্য কিছু সম্ভাব্য প্রশ্ন ও উত্তর
প্রশ্নসম্ভাব্য উত্তর
مَا اسْمُكَ؟ তোমার নাম কী?
اِسْمِي عَبْدُ اللهِ. আমার নাম আব্দুল্লাহ।
مِنْ أَيْنَ أَنْتَ؟ তুমি কোথা থেকে এসেছ?
أَنَا مِنْ بَنْغْلَادِيشَ. আমি বাংলাদেশ থেকে এসেছি।
كَمْ جُزْءًا تَحْفَظُ مِنَ الْقُرْآنِ؟ তুমি কুরআনের কত পারা মুখস্থ করেছ?
أَحْفَظُ عَشَرَةَ أَجْزَاءٍ. আমি দশ পারা মুখস্থ করেছি।
لِمَاذَا تُرِيدُ الدِّرَاسَةَ فِي الْأَزْهَرِ؟ তুমি কেন আল-আজহারে পড়তে চাও?
أُرِيدُ أَنْ أَتَعَلَّمَ الْعِلْمَ الشَّرْعِيَّ وَأَخْدُمَ بَلَدِي. আমি শরয়ি জ্ঞান অর্জন করে নিজ দেশের সেবা করতে চাই।
أَيَّ كُلِّيَّةٍ تُرِيدُ؟ তুমি কোন অনুষদে পড়তে চাও?
أُرِيدُ كُلِّيَّةَ أُصُولِ الدِّينِ. আমি উসূলুদ্দীন অনুষদে পড়তে চাই।
أَعْرِبْ: جَاءَ الطَّالِبُ. ই'রাব করো: "ছাত্রটি এসেছে।
"جَاءَ: ফে'লে মাযী; الطَّالِبُ: ফায়েল, মারফু'।
৮. ধাপে ধাপে সময়সূচি (প্রস্তাবিত)
সময়করণীয়১২–১৮ মাস আগেআরবি ভাষা, নাহু-সরফ ও হিফজে নিয়মিত চর্চা শুরু; লক্ষ্য অনুষদ ঠিক করা৬–১২ মাস আগেশরয়ি বিষয়ের প্রাথমিক বই পড়া; আরবিতে লেখা ও বলার নিবিড় অনুশীলন৪–৬ মাস আগেপাসপোর্ট, মেডিক্যাল, সনদ সত্যায়নের কাজ শুরু৩–৪ মাস আগেশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৃত্তি বিজ্ঞপ্তি ও আল-আজহারের অনলাইন পোর্টালে নজর রাখা; আবেদন১–২ মাস আগেভিসা, বিমান টিকিট, থাকার ব্যবস্থা; মিসরে থাকা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সাথে যোগাযোগ
৯. কিছু জরুরি সতর্কতা
দালাল থেকে সাবধান: আবেদন করুন শুধু সরকারি বিজ্ঞপ্তি ও আল-আজহারের অফিসিয়াল পোর্টালের মাধ্যমে। "নিশ্চিত ভর্তি" বা "নিশ্চিত বৃত্তি"-র প্রতিশ্রুতিতে টাকা দেবেন না।
নিয়ম বদলায়: শর্ত, তারিখ ও আসনসংখ্যা প্রতিবছর পরিবর্তন হতে পারে। আবেদনের আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের ওয়েবসাইট এবং আল-আজহারের বিদেশি শিক্ষার্থী দপ্তর (إِدَارَةُ الْوَافِدِينَ) থেকে হালনাগাদ তথ্য যাচাই করুন।
অভিজ্ঞদের পরামর্শ নিন: মিসরে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন ও কায়রোর বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে বাস্তব তথ্য পাওয়া যায়।
আর্থিক পরিকল্পনা: নিজ খরচে গেলে অন্তত প্রথম বছরের থাকা-খাওয়ার খরচের ব্যবস্থা নিশ্চিত করে যান।
শেষ কথা
আল-আজহারে ভর্তির স্বপ্ন পূরণের সবচেয়ে বড় প্রস্তুতি হলো শক্তিশালী আরবি ভাষা দক্ষতা। ভালো আরবি জানলে আপনি শুধু ভর্তি পরীক্ষায় ওপরের শ্রেণিতেই জায়গা পাবেন না, বৃত্তির প্রতিযোগিতায়ও এগিয়ে থাকবেন, এবং পরবর্তী বছরগুলোতে ক্লাস বুঝতে কোনো সমস্যা হবে না।
مَنْ سَارَ عَلَى الدَّرْبِ وَصَلَ.
"যে পথে চলতে থাকে, সে গন্তব্যে পৌঁছায়।"
আন নাফে একাডেমির নাহু, সরফ, আরবি পঠন, লিখন ও কথোপকথনের কোর্স ও বইগুলো আল-আজহারগামী শিক্ষার্থীদের ভাষাগত প্রস্তুতির জন্য একটি শক্ত ভিত্তি গড়ে দিতে পারে।
Sources:



