কুরআনের ক্রিয়াসমগ্র [কুরআনিক ভার্ব] [১১১৯ পৃষ্ঠা]

ডিজিটাল ডাউনলোড সম্পর্কে

লিংক থেকে শর্ট পিডিএফ দেখে নিন-

https://drive.google.com/file/d/1gbKGPI8J31xkBJirR1S3DuBsMqbtjFHD/view?usp=sharing

সমস্ত প্রশংসা আল্লাহ তা‘আলার, যিনি সুস্পষ্ট আরবি ভাষায় কুরআন নাযিল করেছেন। দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর, তাঁর পরিবারবর্গ ও সাহাবায়ে কেরামের উপর।

বাক্যের প্রাণ হলো ক্রিয়া। কে কী করল, কী ঘটল, কী আদেশ করা হলো—সবই প্রকাশ পায় ক্রিয়ার মাধ্যমে। কুরআনের আয়াতগুলোতেও আল্লাহ তা‘আলার কাজ, নবী-রাসূলদের কাহিনি, মুমিনদের গুণাবলি, আদেশ-নিষেধ ও প্রতিশ্রুতি মূলত ক্রিয়ার মাধ্যমেই উপস্থাপিত হয়েছে। তাই কুরআন বুঝতে চাইলে এর ক্রিয়াগুলো চেনা অপরিহার্য।

আরবি ক্রিয়া একটি ধাতু থেকে নির্দিষ্ট ছাঁচ বা "বাব" অনুযায়ী গঠিত হয় এবং কাল, পুরুষ, লিঙ্গ ও বচন অনুযায়ী বিভিন্ন রূপ (সীগা) ধারণ করে। একই ক্রিয়া কুরআনে কখনো অতীত কালে, কখনো বর্তমান-ভবিষ্যতে, কখনো আদেশ হিসেবে এবং কখনো কর্মবাচ্যে এসেছে। একজন শিক্ষার্থী যখন দেখেন যে ক্রিয়াটি কুরআনে ঠিক কোন কোন রূপে এসেছে, তখন তাঁর সারফ (শব্দরূপ-প্রকরণ) শেখাও বাস্তব ও অর্থবহ হয়ে ওঠে।

এই গ্রন্থে কুরআনুল কারীমে ব্যবহৃত ১৪৭৪টি ক্রিয়াকে ধাতু অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। প্রতিটি ক্রিয়ার সাথে দেওয়া হয়েছে তার বাংলা ও ইংরেজি অর্থ, উচ্চারণ, ধাতু, বাব, কুরআনে মোট ব্যবহারের সংখ্যা ও সূরার তালিকা। এরপর একটি সারণিতে দেখানো হয়েছে ক্রিয়াটি কুরআনে যে যে রূপে এসেছে—কাল, মা‘রূফ-মাজহূল, সীগা, প্রয়োগে অর্থ, ব্যবহারের সংখ্যা এবং প্রথম কোন আয়াতে এসেছে। সব মিলিয়ে ৬২৭২টি প্রয়োগরূপ এখানে স্থান পেয়েছে। এতে কেবল ক্রিয়া রাখা হয়েছে; ক্রিয়ামূল (মাসদার), কর্তৃবাচক বা কর্মবাচক বিশেষ্য ইত্যাদি এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।

আশা করি মাদরাসা ও স্কুলের শিক্ষার্থী, সারফ-নাহুর শিক্ষক, খতীব ও কুরআন নিয়ে চিন্তা-গবেষণাকারী সবার জন্য বইটি উপকারী হবে। আল্লাহ তা‘আলা এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাকে কবুল করুন। আমীন।

৬০০.০০৳
২০০.০০৳